নতুন সামাজিক ইতিহাস

দশম শ্রেণি, প্রথম অধ্যায়

নতুন সামাজিক ইতিহাস
নতুন সামাজিক ইতিহাস
নতুন সামাজিক ইতিহাস
নতুন সামাজিক ইতিহাস
নতুন সামাজিক ইতিহাস
নতুন সামাজিক ইতিহাস

লিখেছেন—

ড. সুভাষ বিশ্বাস,

ইতিহাস বিভাগ,

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়

ম

উত্তর: যে ইতিহাসচর্চায় রাজা-শাসকের পরিবর্তে সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন-অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাকে নতুন সামাজিক ইতিহাস বলে।

প্রশ্ন ২. নতুন সামাজিক ইতিহাসকে ‘History from Below’ বলা হয় কেন?

 উত্তর: কারণ এই ইতিহাসচর্চা রাজপ্রাসাদের উপরতলা নয়, সাধারণ নিচুতলার মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিহাস দেখে।

প্রশ্ন ৩. নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চা কখন বিশেষভাবে বিকশিত হয়?

 উত্তর: বিংশ শতাব্দীর ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে।

প্রশ্ন ৪. Annales School-এর প্রতিষ্ঠাতা কারা?

 উত্তর: মার্ক ব্লক (Marc Bloch) ও লুসিয়েন ফেভর (Lucien Febvre)।

প্রশ্ন ৫. Annales পত্রিকা কবে ও কী নামে প্রকাশিত হয়?

 উত্তর: ১৯২৯ সালে ‘Annales d’histoire économique et sociale’ নামে।

প্রশ্ন ৬. অ্যানাল স্কুলের ধারা কে প্রসারিত করেন?

 উত্তর: ফরাসি ঐতিহাসিক ফার্নান্দ ব্রদেল (Fernand Braudel)।

প্রশ্ন ৭. ‘The Making of the English Working Class’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?

 উত্তর: ই. পি. থম্পসন (E. P. Thompson)।

প্রশ্ন ৮. ‘The Making of the English Working Class’ কবে প্রকাশিত হয়?

 উত্তর: ১৯৬৩ সালে।

প্রশ্ন ৯. হারবার্ট গুটম্যান কোন বিষয়ে গবেষণা করেন?

 উত্তর: শ্রমিক ও আফ্রিকান-আমেরিকান পরিবারের সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে।

প্রশ্ন ১০. ইউজিন জেনোভিস কোন বিষয়ে গবেষণা করেন?

 উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা ও দাসদের সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে।

প্রশ্ন ১১. ভারতে Subaltern Studies-এর প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক কে?

 উত্তর: রণজিৎ গুহ।

প্রশ্ন ১২. ‘Subaltern’ বা নিম্নবর্গ শব্দের অর্থ কী?

 উত্তর: সমাজের ক্ষমতা-কাঠামোয় একেবারে নিচের দিকে থাকা প্রান্তিক মানুষ (কৃষক, শ্রমিক, আদিবাসী)।

প্রশ্ন ১৩. রণজিৎ গুহর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম কী?

 উত্তর: ‘Elementary Aspects of Peasant Insurgency in Colonial India’।

প্রশ্ন ১৪. এই গ্রন্থটি কবে প্রকাশিত হয়?

 উত্তর: ১৯৮৩ সালে।

প্রশ্ন ১৫. এই গ্রন্থে কোন সময়কালের কৃষক বিদ্রোহ আলোচিত হয়েছে?

 উত্তর: ১৭৮৩ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত।

প্রশ্ন ১৬. ‘প্রান্তিক মানব: পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তু জীবনের কথা’ গ্রন্থের লেখক কে?

 উত্তর: প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী।

প্রশ্ন ১৭. ‘নিম্নবর্গের ইতিহাস’ গ্রন্থটি কারা সম্পাদনা করেন?

 উত্তর: গৌতম ভদ্র ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

প্রশ্ন ১৮. ‘নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের আত্মকথা’ গ্রন্থের লেখক কে?

 উত্তর: শরৎচন্দ্র বিশ্বাস।

প্রশ্ন ১৯. মৌখিক ইতিহাস (Oral History) কাকে বলে?

 উত্তর: সাধারণ মানুষের মুখে শোনা স্মৃতি ও বয়ানকে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করার পদ্ধতি।

প্রশ্ন ২০. নতুন সামাজিক ইতিহাসের একটি প্রধান বিষয়বস্তু লেখো।

 উত্তর: শ্রমিক ও কৃষকের ইতিহাস (অথবা: নারীর ইতিহাস / উদ্বাস্তু মানুষের ইতিহাস)।


প্রশ্ন ১. নতুন সামাজিক ইতিহাসের মূল উদ্দেশ্য কী?

 উত্তর: সাধারণ মানুষের জীবন, শ্রম, সংগ্রাম ও সামাজিক অভিজ্ঞতাকে ইতিহাসের আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসাই এর মূল উদ্দেশ্য। এই ইতিহাসচর্চা রাজপ্রাসাদ-কেন্দ্রিক আলোচনার পরিবর্তে সমাজের নিচুতলার মানুষের কথা বলে।

প্রশ্ন ২. নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চার উদ্ভবের প্রধান কারণ কী ছিল?

 উত্তর: প্রচলিত রাজনৈতিক ইতিহাসে সাধারণ মানুষের জীবন প্রায় উপেক্ষিত ছিল। এর প্রতিক্রিয়া এবং সমসাময়িক শ্রমিক আন্দোলন, নাগরিক অধিকার আন্দোলন ও নারীবাদী আন্দোলনের প্রভাবে এই ইতিহাসচর্চার প্রসার ঘটে।

প্রশ্ন ৩. প্রচলিত রাজনৈতিক ইতিহাস ও নতুন সামাজিক ইতিহাসের মধ্যে মূল পার্থক্য কী?

 উত্তর: প্রচলিত ইতিহাসে রাজা, যুদ্ধ, সাম্রাজ্য ও কূটনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়; নতুন সামাজিক ইতিহাসে সাধারণ মানুষের জীবন, পরিবার, খাদ্যাভ্যাস, কাজ ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রশ্ন ৪. নতুন সামাজিক ইতিহাসের প্রধান বিষয়বস্তুগুলি কী কী?

 উত্তর: দৈনন্দিন জীবন ও খাদ্যাভ্যাস, শ্রমিক ও কৃষকের ইতিহাস, নারীর ইতিহাস, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, দারিদ্র্য-জনস্বাস্থ্য এবং উদ্বাস্তু মানুষের ইতিহাস — এই বিষয়গুলি এর অন্তর্ভুক্ত।

প্রশ্ন ৫. Annales School বা অ্যানাল গোষ্ঠী কী?

উত্তর: ফরাসি ইতিহাসচর্চার একটি ধারা, যেখানে রাজনৈতিক ঘটনার পাশাপাশি সমাজ, অর্থনীতি, ভূগোল ও মানুষের মানসিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক ব্লক ও লুসিয়েন ফেভর।

প্রশ্ন ৬. ফার্নান্দ ব্রদেলের অবদান কী?

 উত্তর: তিনি অ্যানাল স্কুলের ধারাকে প্রসারিত করেন এবং সমাজ ও ইতিহাসের দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের স্তরগুলি বিশ্লেষণ করেন।

প্রশ্ন ৭. ‘The Making of the English Working Class’ গ্রন্থে ই. পি. থম্পসন কী দেখিয়েছেন?

 উত্তর: তিনি দেখান যে শ্রমিকেরা কেবল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার শিকার বা যন্ত্র নয়; তাঁদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক চেতনা ছিল।

প্রশ্ন ৮. Subaltern Studies বা নিম্নবর্গের ইতিহাস কী?

 উত্তর: সমাজের ক্ষমতার কাঠামোয় নিচের স্তরে থাকা কৃষক, শ্রমিক, আদিবাসী ও প্রান্তিক মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিহাসচর্চাকে Subaltern Studies বলা হয়।

প্রশ্ন ৯. রণজিৎ গুহ প্রচলিত জাতীয়তাবাদী ইতিহাসের কোন দিকটির সমালোচনা করেন?

 উত্তর: তাঁর মতে, এই ইতিহাসে কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক চেতনার তুলনায় উচ্চবর্গের নেতৃত্বকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

প্রশ্ন ১০. রণজিৎ গুহর ‘Elementary Aspects of Peasant Insurgency in Colonial India’ গ্রন্থের বিষয়বস্তু কী?

 উত্তর: এই গ্রন্থে ১৭৮৩ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত ভারতের কৃষক বিদ্রোহগুলিকে কৃষকদের নিজস্ব দৃষ্টিকোণ ও সচেতনতা থেকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

প্রশ্ন ১১. উদ্বাস্তু ইতিহাস কেন নতুন সামাজিক ইতিহাসের অংশ?

 উত্তর: কারণ এতে রাষ্ট্র বা উচ্চবর্গের পরিবর্তে বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, বঞ্চনা ও পুনর্বাসনের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রশ্ন ১২. বাংলায় নিম্নবর্গের ইতিহাসচর্চার একটি করে উদাহরণ ও তার লেখক লেখো।

 উত্তর: প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তীর ‘প্রান্তিক মানব’ (উদ্বাস্তু জীবন) এবং শরৎচন্দ্র বিশ্বাসের ‘নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের আত্মকথা’ (নমঃশূদ্র সমাজের ইতিহাস) — দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।


প্রশ্ন ১. টীকা লেখো: Annales School (অ্যানাল গোষ্ঠী)

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাসের বিকাশে ফরাসি Annales School-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত, ১৯২৯ সালে মার্ক ব্লক ও লুসিয়েন ফেভর ‘Annales d’histoire économique et sociale’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন।

দ্বিতীয়ত, তাঁরা ইতিহাসকে শুধু রাজা-যুদ্ধের বিবরণ হিসেবে না দেখে সমাজ, অর্থনীতি, ভূগোল ও মানুষের মানসিকতার ওপর গুরুত্ব দেন।

তৃতীয়ত, পরবর্তীকালে ফার্নান্দ ব্রদেল এই ধারা প্রসারিত করে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক পরিবর্তন-এর বিশ্লেষণে গুরুত্ব দেন। এই কারণে অ্যানাল গোষ্ঠীকে সামাজিক ইতিহাসচর্চার পথপ্রদর্শক বলা হয়।

 প্রশ্ন ২. নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চায় E. P. Thompson-এর অবদান লেখো।

 উত্তর: ব্রিটিশ ঐতিহাসিক ই. পি. থম্পসন নতুন সামাজিক ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ পুরোধা।

প্রথমত, তাঁর

বিখ্যাত গ্রন্থ ‘The Making of the English Working Class’ ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়।

দ্বিতীয়ত, এই গ্রন্থে তিনি দেখান যে শ্রমিকেরা শুধু অর্থনৈতিক ব্যবস্থার নিষ্ক্রিয় শিকার নয়; তাঁদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক চেতনা ছিল।

তৃতীয়ত, তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি ‘History from Below’ ধারাকে শক্তিশালী করে এবং শ্রমিক শ্রেণিকে ইতিহাসের সক্রিয় নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

 প্রশ্ন ৩. Herbert Gutman ও Eugene Genovese-এর অবদান সংক্ষেপে লেখো।

 উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন সামাজিক ইতিহাসের বিকাশে এই দুই ঐতিহাসিকের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

প্রথমত, হারবার্ট গুটম্যান শ্রমিক ও আফ্রিকান-আমেরিকান পরিবারের সামাজিক অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেন।

দ্বিতীয়ত, ইউজিন জেনোভিস মার্কিন দাসপ্রথা ও দাসদের সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেন, যা প্রভু-দাস দ্বন্দ্বের বাইরে গিয়ে বিশ্লেষিত।

তৃতীয়ত, তাঁদের গবেষণা সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের জীবনকে ইতিহাসচর্চার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

 প্রশ্ন ৪. টীকা লেখো: Subaltern Studies বা নিম্নবর্গের ইতিহাস

 উত্তর: ভারতে নতুন সামাজিক ইতিহাসের সমার্থক ধারা হলো Subaltern Studies।

প্রথমত, ‘Subaltern’ বলতে বোঝায় ক্ষমতার কাঠামোয় নিচের দিকে থাকা মানুষ — কৃষক, শ্রমিক,

আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

দ্বিতীয়ত, এর প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ঐতিহাসিক রণজিৎ গুহ।

তৃতীয়ত, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রচলিত এলিটকেন্দ্রিক ইতিহাসের বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের নিজস্ব

রাজনৈতিক চেতনা তুলে ধরা।

প্রশ্ন ৫. টীকা লেখো: রণজিৎ গুহ

 উত্তর: ভারতীয় নিম্নবর্গের ইতিহাসচর্চায় রণজিৎ গুহ অন্যতম প্রধান নাম।

প্রথমত, তিনি মনে করতেন ঔপনিবেশিক ও জাতীয়তাবাদী ইতিহাসে উচ্চবর্গের নেতৃত্বকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কিন্তু কৃষকের স্বতঃস্ফূর্ত চেতনা উপেক্ষিত থেকেছে।

দ্বিতীয়ত, তাঁর গ্রন্থ ‘Elementary Aspects of Peasant Insurgency in Colonial India’ ১৯৮৩ সালে

প্রকাশিত হয়।

তৃতীয়ত, এই গ্রন্থে ১৭৮৩-১৯০০ সালের কৃষক বিদ্রোহকে কৃষকদের নিজস্ব সংস্কৃতির আলোকে বিশ্লেষণ

করা হয়েছে — যা Subaltern Studies-এর ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন ৬. বাংলায় নিম্নবর্গ ও প্রান্তিক মানুষের ইতিহাসচর্চার উদাহরণ দাও।

 উত্তর: বাংলাতেও এই ধারায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচিত হয়েছে।

প্রথমত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তীর ‘প্রান্তিক মানব: পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তু জীবনের কথা’ গ্রন্থে দেশভাগ-পরবর্তী উদ্বাস্তু মানুষের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, গৌতম ভদ্র ও পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘নিম্নবর্গের ইতিহাস’ গ্রন্থে বাংলার কৃষক-আদিবাসীর ইতিহাস আলোচিত হয়েছে।

তৃতীয়ত, শরৎচন্দ্র বিশ্বাস-এর ‘নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের আত্মকথা’ গ্রন্থে নমঃশূদ্র সমাজের সামাজিক বঞ্চনা ও আত্মপরিচয়ের সংগ্রাম ফুটে উঠেছে।

 প্রশ্ন ৭. টীকা লেখো: ‘History from Below’

 উত্তর: ‘History from Below’ বলতে সাধারণ ও নিম্নবর্গের মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিহাস রচনার পদ্ধতিকে বোঝায়।

প্রথমত, প্রচলিত ইতিহাস সাধারণত রাজা-শাসকের উপরতলার দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা হতো।

দ্বিতীয়ত, এই পদ্ধতিতে কৃষক, শ্রমিক, নারী ও আদিবাসীর অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তৃতীয়ত, নতুন সামাজিক ইতিহাস ও Subaltern Studies-এর সঙ্গে এই ধারণার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

 প্রশ্ন ৮. নতুন সামাজিক ইতিহাসে মৌখিক ইতিহাস-এর গুরুত্ব লেখো।

 উত্তর: মৌখিক ইতিহাস বা Oral History নতুন সামাজিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পদ্ধতি।

প্রথমত, এটি সাধারণ মানুষের মুখে শোনা স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও বয়ানকে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে

ব্যবহার করে।

দ্বিতীয়ত, প্রান্তিক মানুষদের সম্পর্কে সবসময় লিখিত নথি পাওয়া যায় না, তাই তাঁদের স্মৃতি ও সাক্ষাৎকার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে ওঠে।

তৃতীয়ত, এই পদ্ধতি বিশেষত উদ্বাস্তু, শ্রমিক ও নারীর ইতিহাস রচনায় বিশেষভাবে কার্যকর।

৪ মার্কের ব্যাখ্যামূলক/সংক্ষিপ্ত রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর — নতুন সামাজিক ইতিহাস

প্রশ্ন ১. নতুন সামাজিক ইতিহাস বলতে কী বোঝ? এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাস হল এমন এক ইতিহাসচর্চা যেখানে রাজা, শাসক, যুদ্ধ ও কূটনীতির পরিবর্তে সমাজের সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, নারী, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ধারা ‘History from Below’ নামে পরিচিত।

এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

প্রথমত, সাধারণ মানুষের জীবনকে ইতিহাসের কেন্দ্রে আনা।

দ্বিতীয়ত, কৃষক, শ্রমিক, নারী ও প্রান্তিক সমাজের ইতিহাসচর্চা করা।

তৃতীয়ত, দৈনন্দিন জীবন, খাদ্যাভ্যাস, পরিবার ও সংস্কৃতিকে ইতিহাসের বিষয় করা।

চতুর্থত, উপরতলার পরিবর্তে নিচুতলার দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিহাস রচনা করা।

এইভাবে নতুন সামাজিক ইতিহাস ইতিহাসচর্চাকে আরও মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলেছে।

 প্রশ্ন ২. নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চার উদ্ভব ও পটভূমি আলোচনা করো।

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চা বিশেষভাবে ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

প্রথমত, প্রচলিত রাজনৈতিক ইতিহাসে রাজা, শাসক ও উচ্চবর্গের ভূমিকা বেশি গুরুত্ব পেত, কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন-শ্রম-বঞ্চনা প্রায় উপেক্ষিত ছিল।

দ্বিতীয়ত, এই সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া থেকেই নতুন ধারার বিকাশ ঘটে।

তৃতীয়ত, এই সময় শ্রমিক আন্দোলন, নাগরিক অধিকার আন্দোলন ও নারীবাদী আন্দোলনের প্রভাবে সাধারণ মানুষের ইতিহাস জানার আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

চতুর্থত, ফলে পরিবার, লিঙ্গ, জনসংখ্যা ও স্থানীয় সমাজ ইতিহাসচর্চার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে। এভাবেই সমাজ-সচেতনতা ও আন্দোলনের যৌথ প্রভাবে এই ধারা প্রতিষ্ঠা পায়।

 প্রশ্ন ৩. প্রচলিত রাজনৈতিক ইতিহাস ও নতুন সামাজিক ইতিহাসের মধ্যে পার্থক্য বিস্তারিত লেখো।

 উত্তর: প্রচলিত রাজনৈতিক ইতিহাস ও নতুন সামাজিক ইতিহাসের মধ্যে কয়েকটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

প্রথমত, প্রচলিত ইতিহাসে রাজা, শাসক, যুদ্ধ, সাম্রাজ্য ও কূটনীতি প্রধান বিষয়; নতুন সামাজিক ইতিহাসে সাধারণ মানুষের জীবন ও সমাজ প্রধান বিষয়।

দ্বিতীয়ত, প্রচলিত ইতিহাস উপরতলার বা Top-down দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে; নতুন সামাজিক ইতিহাস নিচুতলার বা Bottom-up দৃষ্টিভঙ্গিকে গুরুত্ব দেয়।

তৃতীয়ত, প্রচলিত ইতিহাস মূলত রাজনৈতিক ঘটনানির্ভর; নতুন সামাজিক ইতিহাস খাদ্যাভ্যাস, পরিবার,

দারিদ্র্য ও উদ্বাস্তু জীবনের মতো বিষয়কেও অন্তর্ভুক্ত করে।

চতুর্থত, প্রচলিত ইতিহাসের পরিধি সংকুচিত; নতুন সামাজিক ইতিহাসের পরিধি অনেক বেশি বিস্তৃত ও মানবিক। এই কারণেই দুটি ধারার মধ্যে চরিত্রগত ও পরিধিগত মৌলিক পার্থক্য লক্ষ করা যায়।

প্রশ্ন ৪. নতুন সামাজিক ইতিহাসের বিষয়বস্তু বিস্তারিত আলোচনা করো।

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাসের বিষয়বস্তু অত্যন্ত বিস্তৃত।

প্রথমত, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও খাদ্যাভ্যাস।

দ্বিতীয়ত, শ্রমিক ও কৃষকের ইতিহাস — তাঁদের শোষণ, প্রতিবাদ ও সংগ্রাম।

তৃতীয়ত, নারীর ইতিহাস এবং আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি।

চতুর্থত, দারিদ্র্য, জনস্বাস্থ্য ও উদ্বাস্তু মানুষের জীবনসংগ্রাম।

এইভাবে নতুন সামাজিক ইতিহাস রাজপ্রাসাদ ও যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে সমাজের প্রতিটি স্তরের

মানুষের জীবনকে ইতিহাসচর্চার অন্তর্ভুক্ত করেছে।

প্রশ্ন ৫. নতুন সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্ব আলোচনা করো।

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাস ইতিহাসচর্চাকে আরও বিস্তৃত, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করেছে।

প্রথমত, প্রচলিত ইতিহাসে যেখানে রাজা ও উচ্চবর্গের ভূমিকা প্রধান ছিল, সেখানে এই ধারা কৃষক,

শ্রমিক, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনকে গুরুত্ব দিয়েছে।

দ্বিতীয়ত, ইতিহাস শুধু রাজনৈতিক ঘটনার বিবরণে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সংগ্রামকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে।

তৃতীয়ত, এটি ইতিহাসচর্চাকে ইতিহাসের গণতন্ত্রীকরণ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ করে তুলেছে — অর্থাৎ ইতিহাস আর কেবল অভিজাতদের কাহিনি নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষের ইতিহাসে পরিণত হয়েছে।

চতুর্থত, এই দৃষ্টিভঙ্গি মৌখিক ইতিহাস-এর মতো নতুন গবেষণা-পদ্ধতিকেও গুরুত্ব দিয়েছে, যা লিখিত

নথিহীন প্রান্তিক মানুষের ইতিহাস রচনায় সহায়ক।

সামগ্রিকভাবে, নতুন সামাজিক ইতিহাস আধুনিক ইতিহাসচর্চার দৃষ্টিভঙ্গিকেই বদলে দিয়েছে।

 প্রশ্ন ৬. নতুন সামাজিক ইতিহাসে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর গুরুত্ব কী?

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এমন গোষ্ঠীগুলিকে আলোচনায় আনা, যারা আগে প্রায় উপেক্ষিত ছিল।

প্রথমত, এর মধ্যে নারী, শ্রমিক, কৃষক ও আদিবাসী বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিতীয়ত, তাঁদের দৈনন্দিন জীবন, শ্রম ও সামাজিক বঞ্চনাকে ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তৃতীয়ত, উদ্বাস্তু ও নিম্নবর্ণ সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামও এই আলোচনায়

স্থান পায়।

চতুর্থত, এর ফলে ইতিহাসের পরিধি বিস্তৃত হয়ে সমাজের বৃহত্তর অংশের অভিজ্ঞতা ইতিহাসে জায়গা

পেয়েছে।

এভাবেই নতুন সামাজিক ইতিহাস পূর্বে উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীকে ইতিহাসের কেন্দ্রীয় অংশ করে তুলেছে।

প্রশ্ন ৭. নতুন সামাজিক ইতিহাসকে কেন ‘ইতিহাসের গণতন্ত্রীকরণ’ বলা যায়?

 উত্তর: নতুন সামাজিক ইতিহাসকে ইতিহাসচর্চার গণতন্ত্রীকরণ বলা যায়, কারণ এটি ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দুতে শুধু রাজা ও উচ্চবর্গকে রাখেনি।

প্রথমত, এই ইতিহাসচর্চায় সাধারণ মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও ইতিহাসের

সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে দেখা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, ইতিহাস আর কেবল অভিজাতদের কাহিনি না থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষের ইতিহাসে পরিণত হয়েছে।

তৃতীয়ত, এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রচলিত এলিটকেন্দ্রিক ইতিহাসের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে ইতিহাসচর্চাকে

অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলেছে।

চতুর্থত, এই কারণেই Subaltern Studies-এর মতো ধারাও একে আরও শক্তিশালী করেছে।

সামগ্রিকভাবে বলা যায়, এই পরিবর্তন ইতিহাসচর্চাকে অভিজাততন্ত্র থেকে গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির দিকে

নিয়ে গেছে।


১. নতুন সামাজিক ইতিহাসকে অন্য কী নামে অভিহিত করা হয়?

 (ক) History from Above
  (খ) History from Below
  (গ) Modern Political History
  (ঘ) Royal History

২. নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চা বিশেষভাবে বিকাশ লাভ করে—

 (ক) ১৯৪০ ও ১৯৫০-এর দশকে
  (খ) ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে
  (গ) ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে
  (ঘ) ২০০০-এর দশকে

৩. Annales পত্রিকা কবে প্রকাশিত হয়?
(ক) ১৯১৯ সালে
(খ) ১৯২৯ সালে
(গ) ১৯৩৯ সালে
(ঘ) ১৯৪৯ সালে

৪. ‘Annales d’histoire économique et sociale’ পত্রিকা প্রকাশ করেন—
(ক) রণজিৎ গুহ ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়
(খ) মার্ক ব্লক ও লুসিয়েন ফেভর
(গ) ই. পি. থম্পসন ও ফার্নান্দ ব্রদেল
(ঘ) হারবার্ট গুটম্যান ও ইউজিন জেনোভিস

৫. অ্যানাল স্কুলের ধারাকে প্রসারিত করে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেন কে?
(ক) মার্ক ব্লক
(খ) লুসিয়েন ফেভর
(গ) ফার্নান্দ ব্রদেল
(ঘ) রণজিৎ গুহ

৬. ‘The Making of the English Working Class’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
(ক) রণজিৎ গুহ
(খ) ই. পি. থম্পসন
(গ) হারবার্ট গুটম্যান
(ঘ) ইউজিন জেনোভিস

৭. ‘The Making of the English Working Class’ গ্রন্থটি কবে প্রকাশিত হয়?
(ক) ১৯৫৩ সালে
(খ) ১৯৬৩ সালে
(গ) ১৯৭৩ সালে
(ঘ) ১৯৮৩ সালে

৮. হারবার্ট গুটম্যান প্রধানত কোন বিষয়ে গবেষণা করেন?
(ক) ফরাসি কৃষক বিদ্রোহ
(খ) শ্রমিক ও আফ্রিকান-আমেরিকান পরিবারের সামাজিক সম্পর্ক
(গ) ভারতীয় উপনিবেশবাদ
(ঘ) ব্রিটিশ রাজতন্ত্র

৯. ইউজিন জেনোভিসের গবেষণার প্রধান বিষয় ছিল—
(ক) নারীবাদী আন্দোলন
(খ) মার্কিন দাসপ্রথা ও দাসদের সামাজিক সম্পর্ক
(গ) ফরাসি বিপ্লব
(ঘ) ব্রিটিশ শিল্প বিপ্লব

১০. ভারতে Subaltern Studies-এর প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক কে?
(ক) প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী
(খ) গৌতম ভদ্র
(গ) রণজিৎ গুহ
(ঘ) পার্থ চট্টোপাধ্যায়

১১. ‘Subaltern’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) রাজপরিবারের সদস্য
(খ) ক্ষমতার কাঠামোয় নিচের দিকে থাকা প্রান্তিক মানুষ
(গ) ঔপনিবেশিক শাসক
(ঘ) সামরিক কর্মকর্তা

১২. রণজিৎ গুহর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম কী?
(ক) The Making of the English Working Class
(খ) Elementary Aspects of Peasant Insurgency in Colonial India
(গ) প্রান্তিক মানব
(ঘ) নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের আত্মকথা

১৩. ‘Elementary Aspects of Peasant Insurgency in Colonial India’ গ্রন্থটি কবে প্রকাশিত হয়?
(ক) ১৯৬৩ সালে
(খ) ১৯৭৩ সালে
(গ) ১৯৮৩ সালে
(ঘ) ১৯৯৩ সালে

১৪. এই গ্রন্থে কোন সময়কালের কৃষক বিদ্রোহ আলোচিত হয়েছে?
(ক) ১৬৫০-১৭৫০
(খ) ১৭৮৩-১৯০০
(গ) ১৯০০-১৯৪৭
(ঘ) ১৯৪৭-২০০০

১৫. রণজিৎ গুহর মতে, প্রচলিত জাতীয়তাবাদী ইতিহাসে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে—
(ক) কৃষকদের স্বতঃস্ফূর্ত চেতনা
(খ) নারী আন্দোলন
(গ) এলিট বা উচ্চবর্গের নেতৃত্ব
(ঘ) আদিবাসী সংস্কৃতি

১৬. ‘প্রান্তিক মানব: পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তু জীবনের কথা’ গ্রন্থের লেখক কে?
(ক) শরৎচন্দ্র বিশ্বাস
(খ) গৌতম ভদ্র
(গ) প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী
(ঘ) পার্থ চট্টোপাধ্যায়

১৭. ‘নিম্নবর্গের ইতিহাস’ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন—
(ক) রণজিৎ গুহ ও শরৎচন্দ্র বিশ্বাস
(খ) গৌতম ভদ্র ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়
(গ) প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী ও রণজিৎ গুহ
(ঘ) মার্ক ব্লক ও লুসিয়েন ফেভর

১৮. ‘নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের আত্মকথা’ গ্রন্থের লেখক কে?
(ক) প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী
(খ) গৌতম ভদ্র
(গ) শরৎচন্দ্র বিশ্বাস
(ঘ) রণজিৎ গুহ

১৯. প্রচলিত রাজনৈতিক ইতিহাস মূলত কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রচিত হতো?
(ক) Bottom-up
(খ) Top-down
(গ) Subaltern
(ঘ) Oral

২০. নতুন সামাজিক ইতিহাস কোন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রচিত হয়?
(ক) Top-down
(খ) Bottom-up
(গ) রাজকীয়
(ঘ) কূটনৈতিক

২১. নিচের কোনটি নতুন সামাজিক ইতিহাসের বিষয়বস্তু নয়?
(ক) কৃষক ও শ্রমিকের ইতিহাস
(খ) নারীর ইতিহাস
(গ) রাজাদের যুদ্ধ ও সাম্রাজ্য বিস্তার
(ঘ) উদ্বাস্তু মানুষের ইতিহাস

২২. সাধারণ মানুষের মুখে শোনা স্মৃতি ও বয়ানকে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করাকে বলে—
(ক) Political History
(খ) Oral History
(গ) Subaltern Studies
(ঘ) Annales School

২৩. নতুন সামাজিক ইতিহাসচর্চার উদ্ভবে কোন আন্দোলনগুলির প্রভাব ছিল?
(ক) শিল্প বিপ্লব ও ঔপনিবেশিকতা
(খ) শ্রমিক আন্দোলন, নাগরিক অধিকার আন্দোলন ও নারীবাদী আন্দোলন
(গ) ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন
(ঘ) স্বাধীনতা আন্দোলন

২৪. নতুন সামাজিক ইতিহাসকে কেন ‘ইতিহাসের গণতন্ত্রীকরণ’ বলা হয়?
(ক) কারণ এটি শুধু রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে আলোচনা করে
(খ) কারণ এটি সমাজের সব স্তরের মানুষকে ইতিহাসের অংশ করে তোলে
(গ) কারণ এটি শুধু নির্বাচন-সংক্রান্ত ইতিহাস
(ঘ) কারণ এটি শুধু আইনসভার ইতিহাস আলোচনা করে

২৫. ভারতে Subaltern Studies-এর ধারণাটি সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ কোন পশ্চিমা ধারার সঙ্গে?
(ক) Annales School
(খ) History from Below
(গ) Top-down History
(ঘ) Royal Chronicles


উত্তরসূচি

১. (খ)
২. (খ)
৩. (খ)
৪. (খ)
৫. (গ)
৬. (খ)
৭. (খ)
৮. (খ)
৯. (খ)
১০.(গ)
১১.(খ)
১২.(খ)
১৩.(গ)
১৪.(খ)
১৫.(গ)
১৬.(গ)
১৭. (খ)
১৮. (গ)
১৯.(খ)
২০.(খ)
২১.(গ)
২২.(খ)
২৩.(খ)
২৪.(খ)
২৫.(খ)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top