সুভাষ বনাম নেহরু: বন্ধুত্ব, আদর্শের সংঘাত ও ক্ষমতার লড়াইয়ের অজানা ইতিহাস

ভূমিকা:
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের পাতায় যে দুটি নাম সমান্তরালে উচ্চারিত হয়, তারা হলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং পন্ডিত জওহরলাল নেহরু। বর্তমান সময়ে আমরা প্রায়ই তাঁদের পরস্পরবিরোধী বা প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে থাকি। কিন্তু এই বৈরিতার আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক গভীর বন্ধুত্বের গল্প, যা সময়ের বিবর্তনে এবং কুটিল রাজনীতির চালে তিক্ততায় পর্যবসিত হয়। কেন দুই অকৃত্রিম বন্ধু একে অপরের চরম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন? আজকের নিবন্ধে আমরা অনুসন্ধান করব সেই ঐতিহাসিক সত্যের।

⚔️ ১. এক কক্ষপথের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র: প্রাথমিক সখ্যতা

রাজনীতিতে যখন সুভাষচন্দ্র বসুর অভিষেক ঘটে, তখন জওহরলাল নেহরুই ছিলেন তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষ। ১৯২১ সালে সুভাষচন্দ্র সিভিল সার্ভিস (ICS) ত্যাগ করে ভারতের রাজনীতিতে আসেন, আর নেহরুও প্রায় সমসময়ে সক্রিয় হন। দুজনেই ছিলেন পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত, আধুনিকমনা এবং সমাজতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী।

দশ বছরের ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও তাঁদের মধ্যে ছিল ‘নাম ধরে ডাকার’ মতো গভীর বন্ধুত্ব। তাঁরা দুজনেই ছিলেন কংগ্রেসের ভেতরে ‘বামপন্থী’ বা প্রগতিশীল অংশের প্রতিনিধি। মহাত্মা গান্ধীর ‘অহিংসা’ বা ‘ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস’ (ঔপনিবেশিক স্বায়ত্তশাসন)-এর বিপরীতে এই দুই তরুণ নেতা চেয়েছিলেন ব্রিটিশের বিরুদ্ধে সরাসরি সংগ্রাম এবং পূর্ণ স্বরাজ। তরুণ সমাজ তাঁদের মধ্যেই আগামীর ভারত খুঁজে পেত।1

⚔️ ২. প্রথম ফাটল: চৌরিচৌরা ও আদর্শগত দোলাচল

১৯২২ সালের চৌরিচৌরার ঘটনার পর যখন গান্ধীজি আকস্মিক অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন, তখন সুভাষচন্দ্র ও নেহরু দুজনেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। কিন্তু এখান থেকেই তাঁদের চারিত্রিক পার্থক্যের প্রকাশ ঘটে।

  • সুভাষচন্দ্র: তিনি ছিলেন যুক্তিবাদী ও আপসহীন। গান্ধীর নীতির সীমাবদ্ধতা তিনি শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন।
  • নেহরু: নেহরু গান্ধীর প্রতি আবেগীভাবে আচ্ছন্ন ছিলেন। নিজের আত্মজীবনী ‘ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া’-তে তিনি গান্ধীকে এক ‘তাজা বাতাসের প্রবাহ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নেহরু চাইলেও গান্ধীর মোহাঞ্জন ত্যাগ করতে পারেননি।

⚔️ ৩. ১৯২৮ সালের কলকাতা অধিবেশন: রাজনীতির মোড়বদল

১৯২৮ সালে কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে সুভাষচন্দ্র ও নেহরু যৌথভাবে ‘পূর্ণ স্বরাজ’-এর দাবি তোলেন। কিন্তু গান্ধীজি তখন ব্রিটিশদের ‘ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস’ দেওয়ার জন্য এক বছরের সময় দিতে চেয়েছিলেন। এই সময় গান্ধীজি কূটনীতির আশ্রয় নেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন সুভাষ ও নেহরু এক থাকলে তাঁর একক নেতৃত্ব বিপন্ন হতে পারে।

গান্ধীজি অত্যন্ত সুকৌশলে নেহরুকে নিজের দিকে টেনে নেন। তিনি নেহরুকে প্রস্তাব দেন কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার জন্য। নেহরু ক্ষমতার হাতছানি এবং গান্ধীর অভিভাবকত্ব ত্যাগ করতে পারেননি। সুভাষচন্দ্র তাঁর ‘ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল’ গ্রন্থে এই ঘটনাকে বামপন্থী আন্দোলনের জন্য এক ‘দুর্ভাগ্যজনক’ মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন।

⚔️ ৪. হরিপুরা ও ত্রিপুরী সংকট: চূড়ান্ত সংঘাত

১৯৩৮ সালে সুভাষচন্দ্র বসু যখন হরিপুরা অধিবেশনে সভাপতি হন, তখন গান্ধীজি তাঁকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু সুভাষচন্দ্র ছিলেন তাঁর লক্ষ্যে অবিচল। ১৯৩৯ সালের ত্রিপুরী অধিবেশনে তিনি গান্ধী মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে পরাজিত করেন। এটি ছিল গান্ধীজির ব্যক্তিগত পরাজয়।

এই ক্রান্তিলগ্নে নেহরু কী ভূমিকা নিয়েছিলেন? তিনি সুভাষকে সমর্থন না করে গান্ধীর পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। কারণ নেহরু জানতেন, গান্ধীর আশীর্বাদ ছাড়া ক্ষমতায় টিকে থাকা অসম্ভব। অমিয়নাথ বসুকে লেখা এক চিঠিতে সুভাষচন্দ্র আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “জওহরলালের মতো আমাদের ক্ষতি আর কেউ করেনি।”

⚔️ ৫. জাতীয় পরিকল্পনা কমিশন ও কৃতিত্বের দাবি

অনেকেই মনে করেন ভারতের ‘প্ল্যানিং কমিশন’ বা পরিকল্পনা কমিশন নেহরুর মস্তিষ্কপ্রসূত। কিন্তু ঐতিহাসিক সত্য হলো, ১৯৩৮ সালে কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে সুভাষচন্দ্র বসুই প্রথম এটি গঠন করেন এবং মেঘনাদ সাহার পরামর্শে এর রূপরেখা তৈরি করেন। নেহরুকে তার চেয়ারম্যান করা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু পরবর্তীকালে লিখিত ইতিহাসে সুভাষের অবদানকে ম্লান করে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব নেহরুর ওপর অর্পিত করা হয়েছে।

⚔️ ৬. লালকেল্লার বিচার ও রাজনৈতিক ফায়দা

১৯৪৫ সালে যখন আজাদ হিন্দ ফৌজের বীর সেনাদের বিচার শুরু হয়, তখন সমগ্র ভারত উত্তাল। দীর্ঘ সময় ব্যারিস্টারি থেকে দূরে থাকা নেহরু হঠাতই কালো কোট পরে লালকেল্লায় হাজির হন সেনাদের ডিফেন্স দিতে। ঐতিহাসিক লিওনার্দো মসলে (Leonard Mosley) মনে করেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চাল। জনগণের হৃদয়ে সুভাষের প্রতি যে আবেগ ছিল, তাকে নিজের ভোটের বাক্সে পরিণত করতেই নেহরু এই নাটকের অবতারণা করেছিলেন।

⚔️ ৭. শেষ কথা: ইতিহাসের নিষ্ঠুর পরিহাস

১৯৪৫ সালের কথিত বিমান দুর্ঘটনার পর যখন তাইওয়ান সরকার জানিয়েছিল যে ১৮ই আগস্ট কোনো বিমান দুর্ঘটনা ঘটেনি, সেই রিপোর্ট নেহরু জনসমক্ষে আনেননি। নেহরু চেয়েছিলেন সুভাষচন্দ্রকে মৃত হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করতে, যাতে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আর ফিরে আসতে না পারেন।

⚔️ উপসংহার:

নেহরু ও সুভাষের সম্পর্ক কেবল ব্যক্তিগত লড়াই ছিল না, এটি ছিল ভারতের ভবিষ্যৎ নির্মাণের দুটি ভিন্ন দর্শনের সংঘাত। নেহরু বেছে নিয়েছিলেন ক্ষমতার সমঝোতা, আর সুভাষচন্দ্র বেছে নিয়েছিলেন বিপ্লবের কণ্টকাকীর্ণ পথ। ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা হলেও, আজও ভারতবাসীর হৃদয়ে সুভাষচন্দ্র বসুই প্রকৃত ‘নেতাজি’।

সুভাষ বনাম নেহরু: ১০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ)

১. সুভাষচন্দ্র বসু ও জওহরলাল নেহরুকে কংগ্রেসের ভেতরে কোন নামে অভিহিত করা হতো?
ক) চরমপন্থী নেতা
খ) ইয়ং টার্কস (Young Turks) বা তরুণ তুর্কি
গ) নরমপন্থী নেতা
ঘ) গান্ধীবাদী নেতা
উত্তর: খ) ইয়ং টার্কস (Young Turks)

২. ১৯২৮ সালের কলকাতা অধিবেশনে নেহরু ও সুভাষ কোন দাবির পক্ষে একমত হয়েছিলেন?
ক) স্বায়ত্তশাসন (Dominion Status)
খ) ভারত ছাড়ো আন্দোলন
গ) পূর্ণ স্বরাজ (Complete Independence)
ঘ) অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর: গ) পূর্ণ স্বরাজ

৩. সুভাষচন্দ্র ও নেহরু উভয়েই কোন রাজনৈতিক আদর্শের দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন?
ক) পুঁজিবাদ
খ) সামন্তবাদ
গ) সমাজতন্ত্র (Socialism)
ঘ) ফ্যাসিবাদ
উত্তর: গ) সমাজতন্ত্র

৪. ১৯৩৮ সালে হরিপুরা অধিবেশনে সুভাষচন্দ্র বসু কাকে ‘ন্যাশনাল প্ল্যানিং কমিটি’র চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেছিলেন?
ক) মহাত্মা গান্ধী
খ) বল্লভভাই প্যাটেল
গ) জওহরলাল নেহরু
ঘ) রাজেন্দ্র প্রসাদ
উত্তর: গ) জওহরলাল নেহরু

৫. ১৯৩৯ সালের ত্রিপুরী কংগ্রেসের সংকটের সময় নেহরুর অবস্থান কী ছিল?
ক) তিনি সুভাষচন্দ্রকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিলেন
খ) তিনি গান্ধীজির পক্ষ নিয়েছিলেন এবং সুভাষকে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়েছিলেন
গ) তিনি ব্রিটিশদের সমর্থন করেছিলেন
ঘ) তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছিলেন
উত্তর: খ) তিনি গান্ধীজির পক্ষ নিয়েছিলেন এবং সুভাষকে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়েছিলেন

৬. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুভাষ ও নেহরুর মধ্যে প্রধান মতভেদ কী ছিল?
ক) ভাষা নিয়ে
খ) রাজধানী নির্বাচন নিয়ে
গ) শত্রুদেশের (জার্মানি-জাপান) সাহায্য নেওয়া নিয়ে
ঘ) ধর্ম নিয়ে
উত্তর: গ) শত্রুদেশের সাহায্য নেওয়া নিয়ে (সুভাষ নিতে চেয়েছিলেন, নেহরু বিপক্ষে ছিলেন)

৭. সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ ফৌজের একটি ব্রিগেডের নাম কার নামে রেখেছিলেন?
ক) মহাত্মা গান্ধী
খ) ভগত সিং
গ) জওহরলাল নেহরু
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: গ) জওহরলাল নেহরু (নেহরু ব্রিগেড)

৮. ১৯৪৫ সালে লাল কেল্লায় আজাদ হিন্দ ফৌজের বন্দি সেনাদের পক্ষে দীর্ঘ ২৫ বছর পর কে ব্যারিস্টারের গাউন পরে সওয়াল করেছিলেন?
ক) জওহরলাল নেহরু
খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
গ) সর্দার প্যাটেল
ঘ) বি আর আম্বেদকর
উত্তর: ক) জওহরলাল নেহরু

৯. সুভাষচন্দ্র বসু নেহরু সম্পর্কে তাঁর কোন বইতে আলোচনা করেছিলেন?
ক) ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া
খ) দি ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল (The Indian Struggle)
গ) আনন্দমঠ
ঘ) পথের দাবী
উত্তর: খ) দি ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল

১০. সুভাষ ও নেহরুর সম্পর্কের মূল বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
ক) ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ঘৃণা
খ) গভীর ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব কিন্তু রাজনৈতিক আদর্শগত সংঘাত
গ) কেবল রাজনৈতিক সমঝোতা
ঘ) কোনো সম্পর্ক ছিল না
উত্তর: খ) গভীর ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব কিন্তু রাজনৈতিক আদর্শগত সংঘাত

FAQ

১. প্রশ্ন: ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মূল ভিত্তি কী ছিল?

উত্তর: ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মূল ভিত্তি ছিল ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ (Two-Nation Theory)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী দাবি করা হয়েছিল যে হিন্দু ও মুসলিম দুটি আলাদা জাতি, তাই তাদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র প্রয়োজন।

২. প্রশ্ন: ৩রা জুনের পরিকল্পনা (3rd June Plan) বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাজনের যে চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করেন, তাকেই ৩রা জুনের পরিকল্পনা বলা হয়। এই পরিকল্পনার মাধ্যমেই ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির বিষয়টি আইনি ভিত্তি পায়।

৩. প্রশ্ন: র‍্যাডক্লিফ লাইন কেন বিতর্কিত ছিল?

উত্তর: সিরিল র‍্যাডক্লিফ মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মানচিত্রের ওপর সীমানা নির্ধারণ করেছিলেন। তিনি স্থানীয় ভৌগোলিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে গুরুত্ব না দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে গ্রাম বা বাড়ির মাঝখান দিয়ে সীমানা টেনেছিলেন, যা দেশভাগের পর ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

৪. প্রশ্ন: দেশভাগের ফলে বাংলার কোন কোন অংশ পাকিস্তানে যুক্ত হয়েছিল?

উত্তর: দেশভাগের ফলে অখণ্ড বাংলার পূর্ব অংশ (পূর্ববঙ্গ) এবং সিলেট জেলার বড় একটি অংশ পাকিস্তানের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) সাথে যুক্ত হয়েছিল।

৫. প্রশ্ন: দেশভাগের সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা কোথায় সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল?

উত্তর: দেশভাগের সময় পাঞ্জাব এবং বাংলা অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছিল। বিশেষ করে নোয়াখালী, কলকাতা এবং পাঞ্জাবের সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছিল।

৬. প্রশ্ন: ভারত স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭ কবে পাস হয়?

উত্তর: ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৯ জুলাই ১৯৪৭ সালে ‘ভারত স্বাধীনতা আইন’ (Indian Independence Act 1947) রাজকীয় সম্মতি লাভ করে এবং এটি পাস হয়।

  1. Jawaharlal Nehru, An Autobiography / Subhas Chandra Bose, The Indian Struggle. ↩︎

2 thoughts on “সুভাষ বনাম নেহরু: বন্ধুত্ব, আদর্শের সংঘাত ও ক্ষমতার লড়াইয়ের অজানা ইতিহাস”

  1. Pingback: নদীয়া জেলায় উদ্বাস্তু সমস্যা: ইতিহাস, কারণ ও বর্তমান অবস্থা

  2. Pingback: ১৯৪৭ সালের দেশভাগ কী? কারণ, ফলাফল ও সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top